"দ্য আর্কিটেক্ট অফ ভিক্টরি" - সারথি যখন স্ট্র্যাটিজিস্ট


"দ্য আর্কিটেক্ট অফ ভিক্টরি" - সারথি যখন স্ট্র্যাটিজিস্ট

​"রণক্ষেত্রে বিজয় কেবল সৈন্যসংখ্যা বা অস্ত্রের ঝনঝনানিতে আসে না; প্রকৃত জয় অর্জিত হয় মেধা, দূরদর্শিতা আর নিপুণ রণকৌশলের মাধ্যমে।"

সান-জু, চাণক্যসহ বহুবিধ মনিষীর লেখনীতে উঠে এসেছে, যুদ্ধ জয়ের জন্য সৈন্যসংখ্যা কিংবা অস্ত্রের ঝনঝনানিতে আসে নাহ বরং নিখুঁত কৌশল, দূরদর্শিতা এবং অব্যর্থ পরিকল্পনা থেকে আসে। বিখ্যাত সমরবিদে সান-জুর উক্তিতে উঠে এসেছে, "The supreme art of war is to subdue the enemy without fighting". হাজার বছর পূর্বে বলা হলেও এই বাক্য সত্য ও যৌক্তিক। পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামে, নাৎসি জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়নে, পাকিস্তান বাংলাদেশে সামরিক ব্যর্থতা ও লজ্জাজনক পরাজয় এই সত্যকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত ও প্রমাণ করেছে। রণাঙ্গনে সৈন্যসংখ্যা ও অস্ত্রশস্ত্রের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে কিন্তু তার মাধ্যমে সফলতা নির্ভর করে পরিচালক এর উপর।

উদাহরণস্বরূপ, ইয়াহিয়া খান ও স্যাম বাহাদুর মানেকশ উভয় একই মিলিটারি একাডেমি থেকে কমিশন প্রাপ্ত হয়ে সামরিক বাহিনীতে যোগদান করেছিলেন এবং সামরিক জীবনের এক পর্যায়ে উভয় মুখোমুখি হয়েছিলেন রণাঙ্গনে। কিন্তু ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও পশ্চিম সীমান্তে যুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনী স্যাম বাহাদুর মানেকশ নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনীর নিকট লজ্জাজনক পরাজয়ের শিকার হয়। তবে আশ্চর্যজনক ভাবে, তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ছিল মার্কিন সমর্থিত অতীব আধুনিক ও অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত। এই ইতিহাস বিশ্লেষণে প্রমাণিত হয় যে, রণাঙ্গনে শুধু অস্ত্র নয়, শৌর্যবীর্য নয় বরং অব্যর্থ মস্তিষ্কই বিজয় এনে দিতে পারে।

নিজেকে রণাঙ্গনের সেনাপতি রুপে নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জন করার বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে। কিন্তু শত্রুর বিরুদ্ধে নিজে একটি অস্ত্রধারণ না করেও যুদ্ধের পরিণাম নির্ধারণ করার দৃষ্টান্ত ইতিহাসে বিরল। সে ইতিহাসের সৃষ্টি করেছিলেন হাজার বছর পূর্বে একজন মাস্টার স্ট্র্যাটিজিস্ট। যে সুদর্শন চক্রধারী হয়েও দু'হাতে তুলে নিয়েছিলেন রথের লাগাম। যার নিরস্ত্র থাকার সিদ্ধান্তকে প্রতিপক্ষ মূর্খামি মনে করেছিলো, চয়ন করেছিলো নারায়ণী সেনা, সে সারথি প্রমাণ করেছিলেন রণাঙ্গনে লাখো সৈন্যের চেয়ে একজন ‘মাস্টারমাইন্ডের’ নীরব পরিকল্পনাই বেশি ঘাতক। "১৮ অক্ষৌহিণী সৈন্যের সেই রক্তসমুদ্রে তিনি একমাত্র ব্যক্তি, যাঁর হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না" - কিন্তু তিনি নির্ধারণ করছিলেন যুদ্ধের পরিণতি। এ যেন কুরুক্ষেত্র নামক শতরঞ্জ বা দাবার বোর্ডের একচ্ছত্র অধিপতি। জয় নিশ্চিত করে যিনি প্রমাণ করেছেন যে, রণাঙ্গনে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রটি তলোয়ার নয় - বরং সেটি হলো একটি অব্যর্থ মস্তিষ্ক। তিনি যোগেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ - দ্য আর্কিটেক্ট অফ ভিক্টরি।

কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধ শুধুমাত্র ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষ ছিল না বরং তা ছিল তথাকথিত সামরিক শক্তি বনাম উচ্চতর বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশলের এক চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষা। আধুনিক সামরিক পরিভাষায় যা Asymmetric Warfare বা অসম যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত, যে যুদ্ধে সীমিত শক্তি কেবল প্রখর বুদ্ধি, পরিকল্পনা, কৌশলের মাধ্যমে বৃহৎ কোনো শক্তিকে পর্যুদস্ত করে। এই রণনীতির প্রাচীনতম এবং শ্রেষ্ঠতম রূপকার ছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৌরবদের পক্ষে ছিল অক্ষৌহিণী সৈন্যের দম্ভ, বিশ্বসেরা সেনাপতি এবং অপরাজেয় সব দিব্যাস্ত্র, কিন্তু সেখানে পাণ্ডবদের মূল শক্তি ছিল কেবল একজন নিরস্ত্র সারথির অব্যর্থ মস্তিষ্ক।

সে নিরস্ত্র সারথি প্রমাণ করেছিলেন যে, রণাঙ্গন মানেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ নয়, বরং তা জটিল মনস্তাত্ত্বিক দাবাবোর্ড, যেখানে বিজয়ী হওয়ার জন্য তলোয়ারের চেয়েও তীক্ষ্ণ হতে হয় চিন্তাশক্তিকে। আধুনিক সমরবিদ্যা, কর্পোরেট স্ট্র্যাটেজি কিংবা ভূ-রাজনীতির প্রতিটি পদক্ষেপে মিশে আছে সেই কালজয়ী রণকৌশলগুলো।

▪️​রিসোর্স বনাম ইন্টেলিজেন্স:

আপনার শক্তি ও সামর্থ্য উভয়ের কার্যকারীতা নির্ভর করে ব্যবহারের উপর। কারণ, সামর্থ্যবান ব্যক্তি শক্তি ও সামর্থ্যের কার্যকর ব্যবহার করতে সক্ষম। কিন্তু মূর্খের নিকট তা উপর্যুক্ত ব্যবহার করার কৌশল অজানা৷ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে দুর্যোধন ইন্টেলিজেন্সকে নয় রিসোর্সকে বেছে নিয়েছিলেন। সুবিশাল নারায়ণী সেনার বিপরীতে নিরস্ত্র বাসুদেব তার নিকট দূর্বল সিদ্ধান্ত প্রতিপন্ন হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিশ্চিত ছিলেন, দুর্যোধন এই সিদ্ধান্তে Quantity কে প্রাধান্য দিবে এবং তা হয়েছিলো। ফলশ্রুতিতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ প্রমাণ করেছিলেন, লক্ষ্যহীন বিশাল বাহিনীর চেয়ে একজন দক্ষ মেন্টর অনেক বেশি কার্যকর। লাখো সাধারণ সেনার চেয়ে একজন দক্ষ স্ট্র্যাটিজিস্টের নীরব পরিকল্পনা যে অনেক বেশি ঘাতক হতে পারে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নির্বাচনই তার প্রমাণ।

সাইকোলজিক্যাল সুপিরিওরিটি:

যুদ্ধ ক্ষেত্রে সমরাস্ত্রের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক লড়াই অধিক প্রভাব ফেলে। কারণ, মনোবল হীন, দ্বিধাগ্রস্থ, লক্ষ্যহীন যোদ্ধা কখনো নিজ সামর্থ্যের সেরা অবদান রাখতে পারে নাহ। সেজন্য, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বলেছিি, "In war, the moral is to the physical as three is to one." অর্থাৎ, রণক্ষেত্রে অস্ত্রের শক্তির চেয়ে মনোবল বা মানসিক শক্তির গুরুত্ব তিন গুণ বেশি।

তবে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ ক্ষেত্রে সমরাস্ত্র চেয়ে বৃহৎ সমস্যা ছিল অর্জুনের বিষাদগ্রস্থতা। ইতিহাস সাক্ষী, অস্ত্র কেবল শরীরকে আঘাত করে, কিন্তু দ্বিধা বিদ্ধ করে আত্মাকে। কুরুক্ষেত্রের ময়দানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে শিখিয়েছিলেন যে, সংশয়াত্মা বা দ্বিধাগ্রস্ত মানুষের বিনাশ অনিবার্য। কারণ রণাঙ্গনে সবচেয়ে বড় শত্রু প্রতিপক্ষ নয়, বরং নিজের ভেতরের লক্ষ্যহীনতা। একজন যোদ্ধার শ্রেষ্ঠ সামর্থ্য কেবল তখনই বেরিয়ে আসে, যখন তার মস্তিষ্ক হয় দ্বিধামুক্ত আর লক্ষ্য হয় স্থির।

▪️ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার ও টাইমিং:

কৌরবদের পক্ষে কুরুক্ষেত্রে ভীষ্ম, দ্রোণ বা কর্ণের মতো অপরাজেয় যোদ্ধাদের উপস্থিতি ছিল ভীতিকর। কিন্তু সঠিক তথ্য ও সময়োপযোগী তার ব্যবহার কতটুকু ঘাতক হতে পারে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ। ​কুরুক্ষেত্রের প্রতিটি সন্ধিক্ষণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তথ্যের সঠিক ব্যবহার এবং নিখুঁত সময়জ্ঞানের পরিচয় দিয়েছেন। ভীষ্মকে দমানোর জন্য শিখণ্ডীকে সামনে আনা, কিংবা দ্রোণাচার্যকে বিভ্রান্ত করতে 'অশ্বত্থামা হতো'
কৌশলগুলো ছিল আধুনিক 'ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার' এর আদি রূপ। তবে তাঁর এই রণকৌশল কেবল কুরুক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল না বরং জীবনের অন্যান্য যুদ্ধেও তিনি প্রথাগত যুদ্ধ যেমন: মগধরাজ জরাসন্ধকে প্রক্সিযুদ্ধের হত্যা করার সময় দ্বিখণ্ডিত করার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, রণছোড় কৌশলের মাধ্যমে কালযবনকে হত্যার ক্ষেত্রেও শত্রুর দূর্বলতা ও পারফেক্ট টাইমিং এর উপর্যুক্ত ব্যবহার করে তিনি জয় ছিনিয়ে এনেছিলেন এবং প্রমাণ করেছিলেন সঠিক তথ্য সঠিক সময়ে প্রয়োগ করা যেকোনো মরণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী।

▪️কূটনীতি ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা:

যুদ্ধ শুধুমাত্র রণাঙ্গনে সমরাস্ত্রের মধ্যে নয় বরং রণাঙ্গনের বাহিরেও কুটনৈতিক ও রাজনৈতিক কৌশল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। যুদ্ধের পূর্বে হস্তিনাপুরে শান্তিপ্রস্তাব নিয়ে যাওয়া ছিল কুটনৈতিক পদক্ষেপ, যা তিরস্কারের মাধ্যমে কৌরবদের ন্যায়সঙ্গত দিক বিনষ্ট হয়। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে তিনি কেবল পাণ্ডবদের পক্ষে শক্তি সঞ্চয় করেননি, বরং কৌরব শিবিরের সংহতি নষ্ট করেছিলেন। তিনি পাণ্ডবদের এমনভাবে প্রস্তুত করেছিলেন যে, সংখ্যায় কম হয়েও তারা নৈতিক ও কৌশলগতভাবে এক শক্তিশালী জোটে পরিণত হয়। অধর্মের সঙ্গী হওয়া কর্ণের মতো বীরের কবজ-কুণ্ডল ত্যাগ করানো কিংবা শল্যকে দিয়ে কর্ণের রথের সারথি করিয়ে তাঁর মনোবল তছনছ করে দেওয়া ছিল কৃষ্ণের তুখোড় কূটনীতির নিদর্শন। তিনি জানতেন, শত্রুকে সরাসরি আক্রমণ করার চেয়ে তার শক্তির উৎস বা সহায়ক শক্তিকে বিচ্ছিন্ন করা অনেক বেশি কার্যকর।

এই সকল পদক্ষেপ পান্ডবদের বিজয়ের পথ সুনিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের প্রতিটি সন্ধিক্ষণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিরস্ত্র হয়েও যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করছিলেন।

🔆 পরিস্থিতির একচ্ছত্র অধিপতি:

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শুধুমাত্র রণকৌশল সাজাতেন না, বরং যুদ্ধের প্রতিটি মুহূর্তকে  নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতেন। শত্রুর শক্তিকে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহার এর মতো পদক্ষেপ ছিল অভাবনীয়। কুরুক্ষেত্রে পাণ্ডবদের বিজয় ও স্থিতিশীলতার জন্য অর্জুনের জীবন গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু অর্জুনের মৃত্যু নিশ্চিতে লক্ষ্যে প্রাপ্ত কর্ণের অমোঘ অস্ত্র একঘ্নী বাণ ছিল ভয়ঙ্কর। কিন্তু এই অমোঘ অস্ত্র তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে বাধ্য করানো ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ কৌশল। একই উদ্দেশ্যে অর্জুনের জীবন রক্ষার্থে কৃত্রিম সূর্যাস্তের মাধ্যমে লুকিয়ে থাকা ​জয়দ্রথকে সম্মুখে নিয়ে আসেন এবং শ্রীকৃষ্ণের নিখুঁত টাইমিংয়ে অর্জুন লক্ষ্যভেদ করেন। দুর্যোধন এর অভেদ্য শরীরকে দুর্বল করে রাখতে সমর্থ হন। পরবর্তীতে, এই দূর্বলতাই দুর্যোধনেরই পরাজয় নিশ্চিত করে। অঙ্গরাজ কর্ণকে হত্যার ক্ষেত্রেও যথোপযুক্ত সময়ের ব্যবহার ছিল দৃষ্টান্তমূলক। শত্রু যখন সবচেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকে, তখনই সে সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত। জয়দ্রথ বা দুর্যোধন কেউই শক্তির অভাবে হারেননি, তাঁরা হেরেছেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেই ট্যাকটিক্যাল ব্রিলিয়ান্স এর কাছে, যা অজেয়কেও জয়ে রূপান্তরিত করতে জানত।

তলোয়ারের ধার সময়ের সাথে ফিকে হয়ে যায়, কিন্তু দূরদর্শিতার আলো কখনো নেভে না। ভগবান  শ্রীকৃষ্ণ কেবল এক আধ্যাত্মিক সত্তা নন, তিনি ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মাস্টারমাইন্ড। তিনি শিখিয়েছেন বিজয় হাতের পেশিতে নয়, বরং মগজের নিখুঁত চালে নির্ধারিত হয়। আজকের কর্পোরেট ওয়ার্ল্ড হোক বা গ্লোবাল পলিটিক্স, প্রকৃত নেতা তিনিই যিনি রথের লাগাম হাতে পুরো যুদ্ধের পরিণতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

কুরুক্ষেত্রের সেই সারথি আজ হাজার বছর পরেও প্রাসঙ্গিক। আজকের কর্পোরেট রণাঙ্গন থেকে শুরু করে আধুনিক ভূ-রাজনীতি নেতৃত্বের ধ্রুবতারাটি যেন সেই রথের লাগামেই বাঁধা। তিনি প্রমাণ করেছেন, রণক্ষেত্রে সৈন্যের গর্জন নয়, বরং নীরব পরিকল্পনাই চূড়ান্ত বিজয়ের কারিগর। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শুধুমাত্র একজন আর্যশ্রেষ্ঠ নন, তিনি এক কালজয়ী আর্কিটেক্ট অফ ভিক্টরি। যিনি ধর্ম, ন্যায় ও সত্যকে প্রতিষ্ঠায় নিরস্ত্র থেকেও অধর্মকে বারংবার পরাস্ত করেছেন। যাঁর দর্শন আমাদের মনে করিয়ে দেয় অস্ত্র কেবল শরীর ক্ষতবিক্ষত করে, কিন্তু অব্যর্থ মস্তিস্ক ইতিহাস রচনা করে।

Run with #veda #we_are_veda #krishna

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ