"পরকীয়া রোধ করি,
ধার্মিক দাম্পত্য গড়ি"
এ জগতে পতিপত্নীর মধ্যে প্রেম অনন্য ও তুলনাহীন। অজস্র কাব্য ও উপন্যাসের সৃষ্টি হয়েছে এই স্বর্গীয় সম্পর্কের বর্ণনায়। স্রষ্টার অমিয় বাণীতে বারংবার স্থান পেয়েছে এই বন্ধনের। উদাহরণস্বরূপ, অথর্ববেদে বলা হয়েছে
"মমেয়মস্ত পোষ্যা মহ্যং ত্বাদদ্বৃহস্পতিঃ ।
ময়া পত্যা প্ৰজাবতি সংজীব শরদঃ শতম্ ।।"
- অথর্ববেদ ১৪/১/৫২
অর্থাৎ, এই পত্নীর আমিই ভরণপোষণ করি । পরমাত্মা তোমাকে আমার হাতে দিয়াছেন । হে সন্তানবতী ! আমি তোমার পতি, আমার সহিত শতবর্ষ শান্তিতে জীবিত থাক ।
তবে পূর্ণিমার চন্দ্রমল্লিকার আড়ালে যেমন অমাবস্যা থাকে। তেমনি এই স্বর্গীয় সম্পর্কের মধ্যে দেখা দেয় কালো মেঘ। যা তছনছ করে দেয় সুন্দর, স্বপ্নময় দাম্পত্য জীবনের। মরিচা যেমন লৌহ খন্ডকে ধীরে ধীরে ভঙ্গুর করে ধ্বংস করে, তেমনি কালো মেঘ স্বরুপ পরকীয়া সুখী সম্ভবনাময় সংসারকে ধ্বংস করে দেয়।
বৈবাহিক সম্পর্ক ব্যতীত ইতোমধ্যে গৃহে স্ত্রী থাকা অবস্থায় অপর নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে যুক্ত হওয়া সমাজে পরকীয়া হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে পরকীয়ার উপস্থিতি বিদ্যমান।
Durex ও Statista এর পরিসংখ্যান অনুসারে বিশ্বের সর্বাধিক পরকীয়া লিপ্ত দেশের জনগণ থাইল্যান্ডে ৫১%-৫৬% এবং ক্রমান্বয়ে ফ্রান্স ৪৩%, ব্রাজিল ৪৫% , জার্মানি ৩৯%-৪৫%, আয়ারল্যান্ড ২০% দেশসমূহ রয়েছে। Times of India এর সূত্র অনুসারে Ashley Madison ও Gleeden এর মতো ডেটিং সাইট এর পরিসংখ্যান মোতাবেক
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের শহরকেন্দ্রিক শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে পরকীয়ার হার ৪৮% [ সমগ্র ভারত নয় ]। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, পরকীয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার পরিবর্তে অসাংবিধানিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। এই রায়ের ফলে পরকীয়াকে ফৌজদারি অপরাধ (Criminal Offence) হিসেবে গণ্য করা হয় না তবে বিবাহবিচ্ছেদের বৈধ দেওয়ানি কারণ হিসেবে সম্বোধন করে। বাংলাদেশ পরকীয়ার হার পূর্বের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) জরিপ অনুযায়ী, বিবাহবিচ্ছেদের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়া একটি অন্যতম কারণ। তালাক এবং দাম্পত্য বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রায় ২৩% ঘটনার প্রধান কারণ পরকীয়া।
ঢাকা বিভাগ: ঢাকা বিভাগে এই হার সবচেয়ে বেশি ২৮.৩ শতাংশ। অর্থাৎ, বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় পরকীয়া ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে ব্ল্যাক প্যান্থার।
পরকীয়া কখনো সভ্য সমাজ ব্যবস্থার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে নাহ। স্বামী-স্ত্রীর স্বর্গীয় সম্পর্কের মধ্যে প্রতারণা নিশ্চিতভাবে অবৈধ। কিন্তু আধুনিক পাশ্চাত্যমুখী সমাজ ব্যবস্থায় পরকীয়া ধীরে ধীরে প্রবেশ করেছে। ফলস্বরূপ, বিবাহবিচ্ছেদের প্রবণতা আকাশস্পর্শী। শুধুমাত্র বিবাহবিচ্ছেদে পরকীয়া সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং অপরাধ সংঘটনের ঘটনা অহরহ ঘটেছে। সম্প্রতি
▪️৩রা নভেম্বর, ২০২৫ বগুরা সদরে স্বামীকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হত্যা করে স্ত্রী
- সূত্র জাগো নিউজ
▪️১৩ নভেম্বর, ২০২৫ রংপুরে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে হত্যা করে ২৬ টুকরো করা হয় - সূত্র দেশ রুপান্তর
▪️১০ আগস্ট, ২০২৫ কুমিল্লায় পরকীয়ার জেরে হত্যা করে ০৩ টুকরো করা হয়।
- সূত্র "দৈনিক ইত্তেফাক"
▪️০৮ অক্টোবর, ২০২৫ নারায়ণগঞ্জে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা করে নিজ স্ত্রী।
- সূত্র প্রতিদিনের বাংলাদেশ
এমন অজস্র ঘটনার উদাহরণ সম্ভব। কিন্তু কোনো ভাবে পরকীয়ার নিঃশব্দ ভয়াবহতা অস্বীকার করা সম্ভব নয়। নারী পুরুষ উভয়ই পরকীয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকে। কোনো একক শ্রেণী, পেশা বা লিঙ্গভিত্তিক এই দায়ভার এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। বাউল দর্শন ব্যতীত কোনো ধর্মীয় মতাদর্শে পরকীয়াকে গ্রহণ করা হয়নি। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারা মোতাবেক, পরকীয়া বা ব্যাভিচার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে এই অপরাধে জন্য শুধুমাত্র পুরুষের শাস্তিবিধান রয়েছে। কিন্তু ২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারাটি সংবিধানের ২৭, ২৮ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী হওয়ায় এটিকে বাতিল এবং অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। ফলে, পরকীয়া উভয়ের জন্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
সত্য সনাতন বৈদিক ধর্মে পরকীয়া বা ব্যভিচার অবৈধ ও ন্যায়শাস্ত্রে কঠোরভাবে শাস্তিযোগ্য। মনুষ্য জাতির ন্যায়বিধান স্বরুপ মনুসংহিতায় ব্যভিচারের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
"পরদারাভিমর্ধেষু প্রবৃত্তান্নৃন্মহীপতিঃ। উদ্বেজনকরৈর্দন্ডৈশ্চিহ্নয়িত্বা প্রবাসয়েৎ"
-মনুস্মৃতি- ৮/৩৫২
অর্থাৎ, যারা নারীদের ধর্ষণ করে বা উত্ত্যক্ত করে বা ব্যভিচারে প্ররোচিত করে, তাদের এমন শাস্তি দিতে হবে যাতে তা অন্যদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করে এবং কেউ তা করতে আর সাহস না পায়।
"পশুমাংসং দাহয়েৎ পাপং শয়নে তপ্ত আয়সে।
অভ্যাদধ্যুশ্চ কাষ্ঠানি তত্র দহ্যেত পাপকৃৎ।।"
--(মনুস্মৃতি--- ৮।৩৭২,বিশুদ্ধ -৮/২১৭)--
.
অনুবাদঃ সেই রূপে যে পুরুষ তাহার স্ত্রীকে পরিত্যাগ করিয়া পরস্ত্রী বা বেশ্যাগমন করে বা অন্য স্ত্রীলোককে ধর্ষণ করে, সেই পাপীকে উত্তপ্ত লৌহ পালঙ্কে শায়িত করিয়া বহুলোকের সম্মুখে জীবিত অবস্থায় ভস্মীভূত করিবে।
পরকীয়ার সামাজিক ব্যাধি। সেজন্য, পরকীয়ার সমস্যা সমাধানে গভীর অনুধাবন প্রয়োজন। কারণ ও পদক্ষেপ উভয়ের সম্মিলিত মেলবন্ধনের মাধ্যমে এই সামাজিক ব্যাধি নিবারণ করা সম্ভব।
পরকীয়ার কারণ:
পরকীয়া কারণ মানুষের মনে প্রবিষ্ট কামনা হতে আসে। নিষিদ্ধ বস্তু বা বিষয়ের প্রতি কামনা কিংবা আকাঙ্খা মনুষ্যের মানসিক প্রবৃত্তি। কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনফিডেলিটি রিকভারি ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুসারে,
"মানুষ কেবল শারীরিক আকর্ষণের জন্য নয়, অনেক সময় ভালোবাসা না পাওয়া, গুরুত্ব না পাওয়া, নতুন কিছু পাওয়ার হাতছানি বা মানসিক সমস্যার কারণেও অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।"
ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক
ডিলান সেলটারম্যান পরকীয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন,
"মানুষ শুধু সঙ্গীর প্রতি অসন্তুষ্ট বলেই নয়, কখনো কখনো নতুন অভিজ্ঞতার আকর্ষণ বা কৌতূহল থেকেও পরকীয়ায় জড়ায়"
🔆 উপরোক্ত গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে নিম্নোক্ত প্রধান কারণসমূহ তালিকাভুক্ত করা যায়।
▪️দাম্পত্য সম্পর্কে অসন্তুষ্টি
▪️ রোমাঞ্চ ও নতুনত্বের খোঁজ
▪️মানসিক স্বস্তি ও মুক্তি
▪️ডেটিং অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম
▪️কর্মস্থলের ঘনিষ্ঠতা
▪️প্রেমে পড়া স্বভাবদাম্পত্য সম্পর্কে
▪️মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা
▪️স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা
▪️অল্প বয়সে বিয়ে
▪️শৈশবের ট্রমা
▪️প্রতিশোধপরায়ণতা
▪️অভ্যাসগত প্রতারণা
তবে এই কারণসমূহ গভীরে অনুসন্ধান করলে আমরা অনিয়ন্ত্রিত কামনা বা মনকে দায়ী করতে পারি। উত্তম মনুষ্য এই অনিয়ন্ত্রিত কামনাকে নিয়ন্ত্রণ করেন। নিজ চঞ্চল মনকে অবশ্যই বশে নিয়ে আসেন। কারণ, শ্রীমদ্ভগবদগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, মনই পরম বন্ধু এবং সেই মনই পরমশত্রু যা ইংরেজিতে প্রচলিত প্রবাদবাক্য "The mind is a wonderful servant, but a terrible master." কিন্তু এই মনে অবস্থিত কাম আমাদের পরম শত্রু। যা আমাদের পাপকর্মে লিপ্ত করেন। পৃথিবীতে ভোগজনিত যত পাপ বিদ্যমান তা নিশ্চিতভাবে কাম, ক্রোধ তার জন্মলাভ করে। সেজন্য যোগেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন,
"কাম এষ ক্রোধ এষ রজোগুণসমুদ্ভবঃ।
মহাশনো মহাপাপ্পা বিদ্ধ্যেনমিহ বৈরিণম্ ॥"
- গীতা ৩/৩৭
সরলার্থ : শ্রীভগবান্ বললেন- রজোগুণ থেকে উৎপন্ন এই কাম ও এই ক্রোধ মহাশন এবং অত্যন্ত পাপী। এই জগতে একে শত্রু বলে জানবে।
▪️পরকীয়া রোধে করণীয়:
আমাদের সমাজের এই ব্যাধির একমাত্র কারণ মনে নিবিষ্ট কামভাব। আমাদের অনিয়ন্ত্রিত কামনা ধীরে ধীরে ধ্বংস করে চলেছে এই দেবস্থল বা শরীর। পরকীয়া রোধে আমাদের নিজেদের মধ্যে উপলব্ধি নিয়ে আসতে হবে যে এই কার্য পাপ এবং নিশ্চিতভাবে আত্ম ধ্বংসকারী। পরকীয়ার একমাত্র কারণ হয়ে উঠে কামনা, শারীরিক লালসা এবং বিকৃত মানসিকতা। মিসৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর অ্যালিসিয়া ওয়াকার এর ‘স্ট্যাটিস্টা ডট কম’ ও ‘দ্য ইকোনমিক টাইম’ এ প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ৫০% পরকীয়া স্থায়িত্ব ১ বছর - ১.৫ বছর ও ৩০% পরকীয়া ২ বছর স্থায়ী হয় এবং মাত্র ৫% পরকীয়া বিয়েতে রূপলাভ করে। তবে এই সম্পর্ক স্থায়ী হয় নাহ এবং পরিণতি লাভ এর পূর্বে বিবাহবিচ্ছেদ এর কারণ হয়। অর্থাৎ, পরকীয়া সাময়িক কামনা, বাসনার বশিভূত হয়ে এক অবৈধ কার্য। সেজন্য,
▪️এমন সম্পর্কের প্রতি আকৃষ্টতা কেন আসবে যেখানে পরিণতি অনিশ্চিত এবং প্রতারণামূলক ⁉️
▪️কেন নিজ স্বামী বা স্ত্রী কিংবা সন্তানদের প্রতি প্রতারণা করে সাময়িক ভোগলিপ্সায় লিপ্ত হয়ে সর্বনাশ ডেকে আনবে ⁉️
▪️কেন দেবগ্রাম স্বরুপ এই দেহকে মোক্ষ অর্জনের পথ থেকে বিচ্যুত করবে ⁉️
এই সামাজিক ব্যধি রোধে ২ ধাপে পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক। ১. প্রতিরোধ ২. প্রতিকার
▪️প্রতিরোধ:
"অপরাধ করার পূর্বে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয় তা প্রতিরোধ" পরকীয়া রোধে নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। কারণ, নৈতিক শিক্ষা আমাদের মধ্যে পরিবর্তন আনে এবং যারা পরকীয়া থেকে দূরে রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে নৈতিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। এছাড়াও, আমাদের বিনোদন জগতে পরকীয়ার সমর্থক কোনো প্রদর্শনী নিষিদ্ধ করতে হবে। সম্প্রতি, পাশ্চাত্যসহ বিভিন্ন ফিল্প ইন্ডাস্ট্রিতে পরকীয়াকে স্বাভাবিক করণের প্রবণতা বিদ্যমান। মুক্তচিন্তা কিংবা উদারতার আড়ালে এসকল অনৈতিক বিষয় সমূহকে অনুপ্রেরণা প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে, ধর্মীয় আলোচনা সভায় এসকল অপকর্ম সম্পর্কে সচেতনতা, ধর্মীয় বিধান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। তবে এই ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপের প্রগতি রুখে দেওয়া সম্ভব।
▪️প্রতিকার:
"অপরাধ হওয়ার পরে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয় তা প্রতিকার" মনুষ্য কখনো নির্ভূল হয় নাহ। কামনা, ক্রোধ কিংবা অনিয়ন্ত্রিত মনই মনুষ্যকে অসৎ মার্গে। কিন্তু সে ভুল যখন ধ্বংসাত্মক হয় তবে কঠোরতা অনিবার্য। সেজন্য, নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক।
১. কাউন্সিলিং
২. দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
৩. আইনের যথাযথ প্রয়োগ
হে অমৃতের সন্তানগণ! আমরা পরমাত্মার উপদেশ মান্য করে চললে নিশ্চয়ই আদর্শ জীবনের অধিকারী হবো। কিন্তু নিজ চরিত্রকে কামনার প্রলোভনে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারি নাহ। এই মনুষ্য দেহ সুন্দর, আদর্শ, ধর্মের জন্য নিবেদিত, কোনো ভাবে কলুষিত করার উদ্দেশ্য নয়। জীবন হোক আদর্শবান, চরিত্র হোক অনুকরণীয়, জগত হোক সুন্দর।
🔎Run with #veda