রামায়ণ ⚡
▪️অযোধ্যা নগরী পর্ব :- ৪
নাষড়ঙ্গবিদত্রাস্তি নাব্রতো নাসহস্রদঃ। ন দীনঃ ক্ষিপ্তচিত্তো বা ব্যথিতো বাপি কশ্চন।।
(বাল্মীকি রামায়ণ, আদিকান্ড, সর্গ ৬, শ্লোক ১৫)
- অযোধ্যায় কেউই বেদের ষড়ঙ্গে ( শিক্ষা, কল্প, ব্যাকরণ, নিরুক্ত, ছন্দ, জ্যোতিষ) জ্ঞানহীন ছিলেন না, সহস্রদান (অপরিমিত দানশীল); করেন না এমন কেউ ছিলেন না।
কেউই ব্রতহীন (উপনয়ন সংস্কারবিহীন), দুঃখী, দরিদ্র বা বিক্ষিপ্তমনা (যার কর্মে মন নেই) ছিলেন না।
কোনও পুরুষ বা নারী শ্রীহীন ছিলেন না (কশ্চিন্নরো বা নারী বা নাশ্রীমান্)
কেউই রুপহীন ছিলেন না (নাপ্যরূপবান্)
রাজার প্রতি বিদ্বেষ কারো মধ্যে দেখা যেত না (নাপি রাজন্যভক্তিমান্) -৬.১৬
✔️ এই লেখাটি পড়লে নিন্মোক্ত শ্লোক টা গুরুত্ব সহকারে পড়বেন 🙏
বর্ণেস্বগ্যচতুর্থেষু (চার বর্ণের - ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শুদ্র সকলেই ছিলেন-)
দেবতাতিথিপূজকা (সকলেই ছিলেন দেবতা- গুরু, বিদ্বান, অগ্নিহোত্রী ও অতিথির পূজক - যথাযোগ্য সন্মান প্রদর্শনকারী।
কৃতজ্ঞশ্চ- কৃতজ্ঞ
বদান্যাশ্চ - উদার এবং মিষ্টভাষী
শূরা - বীর
বিক্রমসংযুতাঃ - এবং প্রতাপশালী 🚩 - ৬.১৭
দীর্ঘায়ুষো নরাঃ সর্বে ধর্মং সত্যঞ্চ সংশ্রিতাঃ। সহিতাঃ পুত্রপৌত্রেশ্চ নিত্যং স্ত্রীভিঃ পুরোত্তমে (বাল্মীকি রামায়ণ, আদিকান্ড, সর্গ ৬, শ্লোক ১৮)
- সেই শ্রেষ্ঠ অযোধ্যা নগরীতে সকল মানুষ ধর্মাশ্রয়ী ও সত্যাশ্রয়ী (সর্বে ধর্মং সত্যঞ্চ সংশ্রিতাঃ) হয়ে দীর্ঘজীবন লাভ করে পুত্র-পৌত্র এবং স্ত্রীর সাথে একত্রে সুখে থাকতো।
✔️ ক্ষত্রং ব্রহ্মমুখং চাসীৎ বৈশ্যাঃ ক্ষত্রমনুব্রতাঃ ( ক্ষত্রিয়েরা ব্রাহ্মণদের এবং বৈশ্যরা ক্ষত্রিয়দের আজ্ঞানুবর্তী ছিল - ক্ষত্রিয়েরা সমস্ত কাজে গুরু বিদ্বানদের পরামর্শ নিতেন আর ক্ষত্রিয়রা রাজ্য পরিচালনা করার কারণে ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি তথা অন্যান্য কার্যে বৈশ্যরা ক্ষত্রিয়দের অনুকূল কার্য করতেন।
শূদ্রাঃ স্বকর্মনিরতাঃ - শুদ্র নিজ কর্মে নিরত থাকতেন, শুদ্ররা ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য এর কর্ম গুলো আয়ত্ত না করার কারণে
ত্রীন্ বর্ণানুপচারিণঃ - তিন বর্ণের সেবামূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখতেন। - ৬.১৯
🖋️ अन्तु आर्य
Run With Veda
প্রচারে: VEDA
#veda #ramayana