"উত্তম আহার"
◾খাদ্য শুধুমাত্র ক্ষুধা নিবারণের জন্য নয় বরং দেহ ও মনের উপর অপূর্ব প্রভাব বিস্তার করে থাকে। শুধু ক্ষুধা নিবারণের জন্য যদি হতো তবে উত্তম আহার হিসেবে বিবিধ অরুচিকর খাদ্য পরিগণিত হতো কিংবা খাদ্য শুধু জিহ্বার স্বাদের জন্য হতো তবে সুস্বাদু খাওয়ার অস্বাস্থ্যকর হতো নাহ। সেজন্য, আহার হতে হয় উত্তম, স্বাস্থ্যকর।
তবে কোন প্রকৃতি আহার উত্তম এবং কোন ধরনের খাদ্য আমাদের বর্জন করা উচিত ⁉️
◾শ্রীমদ্ভগবদগীতা যোগেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত অমৃতবাণী। জীবনের বহুবিধ সংশয় নিবারণে গীতা অতুলনীয়। শ্রীমদ্ভগবদগীতা আহার এর শ্রেণীবিভাগ করা হয়েছে এবং কোন আহার উত্তম ও কোন আহান গ্রহণ অনুচিত সে বিষয়ে উপদেশ প্রদান করা হয়েছে।
আহার ০৩ প্রকার। তিন প্রকার স্বভাবজাত প্রকৃতির ব্যক্তির আহারও একইভাবে ত্রিবিধ।
🔅সাত্ত্বিক আহার
🔅রাজসিক আহার
🔅তামসিক আহার
"আহারস্তুপি সর্বস্য ত্রিবিধো ভবতি প্রিয়ঃ। যজ্ঞস্তপস্তথা দানং তেষাং ভেদমিমং শৃণু" ॥
- গীতা ১৭/৭
অর্থাৎ, সকল প্রাণীর প্রিয় আহারও তিন প্রকার হয়ে থাকে; আর সেরূপ যজ্ঞ, তপস্যা ও দান। তাদের এই পার্থক্য শ্রবণ করো।
◾স্বভাবজাতভাবে সাত্ত্বিক প্রকৃতির ব্যক্তিদ্বয়ের আহার সাত্ত্বিক।
"আয়ুঃসত্ত্ববলারোগ্যসুখপ্রীতিবিবর্ধনাঃ।
রস্যাঃ স্নিগ্ধাঃ স্থিরা হৃদ্যা আহারাঃ সাত্ত্বিকপ্রিয়াঃ"॥
- গীতা ১৭/৮
অর্থাৎ, আয়ু, সত্ত্ব, বল, আরোগ্য, সুখ ও প্রীতিবর্ধনকারী; রসযুক্ত, স্নিগ্ধকর, স্থির-গুণযুক্ত ও হৃদয় তৃপ্তকারী আহারসমূহ সাত্ত্বিকগণের প্রিয়।
◾স্বভাবজাতভাবে রাজসিক প্রকৃতির ব্যক্তিদ্বয়ের আহার রাজসিক।
"কট্রম্নলবণাত্যুষ্ণতীক্ষ্ণরুক্ষবিদাহিনঃ। আহারা রাজসস্যেষ্টা দুঃখশোকাময়প্রদাঃ" ॥ - গীতা১৭/৯
অর্থাৎ, অতি কটু, অতি অম্ল, অতি লবণাক্ত, অতি উষ্ণ, অতি তীক্ষ্ণ, অতি রুক্ষ ও বিদাহী; এবং দুঃখ, শোক ও রোগের উৎপাদক আহারসমূহ রাজসিকগণের প্রিয়।
◾স্বভাবজাতভাবে রাজসিক প্রকৃতির ব্যক্তিদ্বয়ের আহার রাজসিক।
"যাতযামং গতরসং পূতি পর্যুষিতঞ্চ যৎ।
উচ্ছিষ্টমপি চামেধ্যং ভোজনং তামসপ্রিয়ম্" ॥
- গীতা১৭/১০
অর্থাৎ, যেসকল ভোজন মন্দপক্ক, নীরস ও দুর্গন্ধযুক্ত, বাসি, উচ্ছিষ্ট আর অপবিত্রও, তা তামসগণের প্রিয়।
সাত্ত্বিক, রাজসিক, তামসিক আহার এর মধ্যে সাত্ত্বিক আহার উত্তম ও সুখদায়ক।
◾আমরা যা-কিছু আহার করি, সবকিছুই সাত্ত্বিক, রাজসিক, তামসিক-এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। যেমন দুগ্ধ দুধ স্থির-গুণযুক্ত, আরোগ্য, প্রীতিবর্ধনকারী বিবিধ গুণাবলি বিদ্যমান থাকায় সাত্ত্বিক আহার কিন্তু সেই দুগ্ধ অতি উষ্ণ অবস্থায় রাজসিক এবং পচন বা বাসি হলে তামসিক আহার।
সেজন্য সকলের উচিত সর্বদা সাত্ত্বিক আহার করা। কারণ সাত্ত্বিক আহার আমাদের শরীর সুস্থ ও নিরোগ রাখতে এবং চিত্ত স্থির করতে সহায়ক এবং পরিশেষে সাধনার জন্য সর্বোত্তম।
◾আহার বিবিধ উপায়ে উৎপন্ন হয়ে থাকে। যা পর্যায়ক্রমে আমাদের উদর পর্যন্ত পৌঁছে। তবে সেই সকল আহারের মধ্যে ভূমি থেকে উৎপন্ন (প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ) আহার উত্তম।
বেদে বলা হয়েছে-
"অসাবি দেবং গোঋজীকমন্ধো ন্যস্মিগ্নিন্দ্রো জনুষেমুবোচ।
বোধামসি ত্বা হয়র্শ্ব য়জ্ঞৈবোধা ন স্তোমমন্ধসো মদেষু।" - সামবেদে ৩১৩
অর্থাৎ "আহার সেটিই উত্তম যা উৎপাদন করা হয়েছে। আহার ভূমিমাতা থেকে উৎপন্ন শস্যাদিরই করা উচিত, সাথে গোদুগ্ধ। এই আহারই দৈবী সম্পত্তির জন্মদাতা।
◾আহার উত্তম হলে তা আমাদের ইন্দ্রিয়ের দাস নয় শাসক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। ফলস্বরূপ সাত্ত্বিক আহার গ্রহণকারী ব্যক্তির পরমাত্মার সান্নিধ্যে থাকেন, কিন্তু রাজসিক ও তামসিক আহার গ্রহণকারী ব্যক্তি ইন্দ্রিয়ের দাসত্বকে বরণ করল পরমাত্মা থেকে বিস্মৃত হন।
◾কিন্তু ইন্দ্রিয়ের নিয়ন্ত্রণ করা কেন অতীব গুরুত্বপূর্ণ ⁉️
আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য পরম শান্তি লাভ করা। সেই পরমশান্তি প্রাপ্ত করতে হলে ইন্দ্রিয়কে সংযত করা অপরিহার্য।
"শ্রদ্ধাবান্ লভতে জ্ঞানং তৎপরঃ সংযতেন্দ্রিয়ঃ
জ্ঞানং লব্ধ্বা পরাং শান্তিমচিরেণাধিগচ্ছতি"।।
- গীতা ৪/৩৯
অর্থাৎ, সংযত ইন্দ্রিয়, তৎপরায়ণ এবং শ্রদ্ধাবান মানুষ জ্ঞানলাভ করেন, জ্ঞান লাভ করে অচিরেই পরম শান্তি প্রাপ্ত হন।
সেজন্য ইন্দ্রিয়কে সংযত করে পরমাত্মার প্রতি মনোনিবেশ করার জন্য ও জীবনকে এক উচ্চমার্গীয় পথে পরিচালিত করার জন্য আহার উত্তম হওয়া আবশ্যক। সে উত্তম আহার শুধুমাত্র সাত্ত্বিক আহার।
🔅 "সাত্ত্বিক আহারের সংশয় ও যৌক্তিকতা"🔅
◾সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ উত্তম এবং দেহ-মনের জন্য সুখদায়ক। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে, বিবিধ ব্যক্তি এরুপ ধারণা পোষণ করে থাকে যে, সাত্ত্বিক আহার শরীরের পক্ষে যথাযথ পুষ্টিদানকারী নয় কিংবা অন্যান্য খাদ্য গ্রহণ কেন অনুচিত হবে? যেখানে বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ সাত্ত্বিক আহার গ্রহণকারী নয়।
সংশয় উদয় হওয়া মনুষ্যের বৈশিষ্ট্য। সে সংশয় নিবারণ করা আমাদের পরম কর্তব্য।
◾বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের জন্য শ্রেয় আহার ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (DNA) উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। মনুষ্যের DNA গঠনের যত কাছাকাছি DNA গঠনের খাদ্যদ্রব্য মানুষ আহার করবে, সেই খাদ্যদ্রব্য মানুষের জন্য ততই অনিরাপদ ও ঝুকিপূর্ণ হওয়ার আশংকা রয়েছে। উদাহরণস্বরুপ একজন মানুষ যদি অন্য মানুষের মাংস আহার করে তাহলে জিনগত ত্রুটিসহ নানারকম শারিরীক জটিলতা দেখা দিতে পারে। কারণ, একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের DNA পার্থক্য থাকলেও তা মাত্র ০.০১ শতাংশ (human Genome Project-2003)। DNA-এর একটি তালিকা থেকে এ বিষয় বিস্তারিত উপলব্ধি সম্ভব।
⚕️ মানুষ, গরু, ছাগল ইত্যাদি স্তন্যপায়ী> পাখি কুমির, কচ্ছপ ইত্যাদি সরীসৃপ > ব্যাঙ, নিউটস ইত্যাদি উভচর মাছ উদ্ভিদ।⚕️
এই তালিকা অনুসারে মানুষের DNA গঠনের সবচেয়ে নিকটে অবস্থান গরু, ছাগল, শূকর ইত্যাদি স্তন্যপায়ী প্রাণী; এরপর ক্রমান্বয়ে কাছাকাছি অবস্থানে আছে পাখি, কচ্ছপ, কাঙ ইত্যাদি এবং সবচেয়ে অধিক দূরত্বে অবস্থান করছে উদ্ভিদ।
এরূপ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সেজন্য সুস্থতার জন্য উদ্ভিদ আহার শ্রেয়। সেজন্য বেদে উদ্ভিদ প্রকৃতির আহারের উপদেশ রয়েছে এবং প্রাণী হত্যাপূর্বক খাদ্য গ্রহণ এর রয়েছে স্পষ্ট নিষেধ।
অথর্ববেদে (৬/১৪০/২) বলা হয়েছে-
"ব্রীহিমত্তং যবমত্তমথো মাষমথো তিলম্।
এষ বাং ভাগো নিহিতো রত্ন ধেয়ায় দন্তৌ মা হিংসটিং পিতরং মাতরং চ॥" - অথর্ববেদে ৬/১৪০/২
অর্থাৎ "চাল, যব, মাষ এবং তিল ভক্ষণ করো। রমণীয়তার জন্য এগুলো তোমাদের জন্য বিহিত হয়েছে। পালক ও রক্ষককে ভক্ষণ করো না।"
"রাজসুয়ং বাজপেয়মগ্নিষ্টোমন্তদধ্বরঃ। অকাশ্বমেধাবৃচ্ছিষ্টে জীব বর্হিমমন্দিতমঃ।"
- অথর্ববেদে ১১/৭/৭
অর্থাৎ "রাজসূয়, বাজপেয়, অগ্নিষ্টোম, অশ্বমেধাদি যজ্ঞ হিংসারহিত; যা প্রাণিগণের বৃদ্ধি, সুখ ও শাস্তি প্রদাতা।"
এরূপ স্পষ্ট বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ ও শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা দ্বারা ইহা প্রকাশ্য দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে প্রাণী আহার নয়, বরং উদ্ভিদ প্রকৃতির খাদ্য গ্রহণ করা উত্তম।
বৈজ্ঞানিকভাবে ও শাস্ত্রীয় সিদ্ধান্ত থাকলেও কতিপয় ব্যক্তি যুক্তিবিদ্যার আলোকে কিছু সংশয় উত্থাপন করে। সে সংশয় নিবারণ আব্যশক।
🔆 সংশয়: যদি প্রাণী হত্যা পাপ হয় তবে উদ্ভিদ
হত্যায় পাপ ও হিংসার আশ্রয় হয় না?
বিশ্লেষণ: পাপ নির্ধারিত হয় হিংসার পরিমাণ ও উদ্দেশ্যর উপর। উদ্ভিদ হত্যায় যে হিংসা হয় তা অতি নগণ্য এবং বেদবিহিত -(অথর্ববেদ: ৬/১৪০/২) হওয়ায় তা মানুষের জন্য গ্রহণীয়। ব্রহ্মসূত্র এই সংশয় দূর করে,
"অশুদ্ধমিতি চেন্ন শব্দাৎ।" - ব্রহ্মসূত্র ৩/১/২৫
অর্থাৎ, "যদি বলো যে, অন্নাদি (ধান্য আদিতে জীবের নিবাস হওয়ার ফলে হিংসা দোষ হওয়ায়) অভক্ষ্য, তবে তা ঠিক নয়। কেননা, শ্রুতি শাস্ত্রে সেসব ভক্ষণের বিধান রয়েছে।
🔆 সংশয়: প্রাণী হত্যা করলে যেমন হত্যা পায় তেমনি উদ্ভিদও ব্যাথা পেয়ে কান্না করে। তবে উদ্ভিদ আহার কি করে বৈধ?
বিশ্লেষণ: পিয়ার ও অন্যান্য জার্নাল অনুসারে, প্রাণীর অনুভূতি নির্ভর করে তার মস্তিষ্ক, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র, মেরুদন্ডের উপর। কিন্তু উদ্ভিদের স্নায়ুতন্ত্র নেই। কোনো জীবের জন্য ব্যথা অনুভব বা এটির মতো কিছু সংবেদন সনাক্তকরণের জন্য দায়বদ্ধ নিউরন থাকতে হয়। উদ্ভিদের নিউরনের অভাব রয়েছে। ফলে তাদের পক্ষে ব্যথা অনুভব করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। উদ্ভিদের সচেতন মানসিক অবস্থা নেই।' মানুষের মতো ব্যথা পাওয়ার অনুভূতির জন্য উদ্ভিদ কান্না করে না। উদ্ভিদ প্রায় ৬৫ ডেসিবেলের একপ্রকার স্ট্রেস সিগন্যাল তৈরি করে। এটিকেই প্রচলিত অর্থে 'কান্না' বলা হয়।
🔆 সংশয়: পৃথিবীর বহুস্থানে কিংবা জীবন বিপন্ন পরিস্থিতিতে কি রুপে এই শাস্ত্রীয় বিধান পালন করূ সম্ভব?
বিশ্লেষণ: ধর্ম ও অধর্মের মধ্যে আপদকালীন ধর্ম হিসেবে একটি বিধান রয়েছে। সেজন্য এরুপ পরিস্থিতিতে যা আপাতদৃষ্টিতে শাস্ত্র বিরুদ্ধ তা গ্রহণের বিধানও রয়েছে। ব্রহ্মসূত্র ৩/৪/২৮ অনুসারে,
“সর্বান্নানুমতিশ্চ প্রাণাত্যয়ে, তদ্দর্শনাৎ।"
অর্থাৎ "যখন জীবন বিপন্ন হয় অর্থাৎ প্রাণ সংকট, তখন সেখানে যেকোনো প্রকার খাদ্য নির্বিচারে গ্রহণ করার অনুমতি আছে।
ছান্দোগ্য উপনিষদে (১/১০/১-৫) উল্লেখ পাওয়া যায়-চক্রের পুত্র উষস্তি জীবনসংকটে 'উচ্ছিষ্ট' তামসিক আহার গ্রহণ করেছিলেন। অর্থাৎ, শ্রুতি শাস্ত্রেও এরূপ আপদকালীন মুহুর্তে করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা আছে।
🔆 সংশয়: মাংস আহার করলে শারীরিক সমস্যা হতে পারে এমন ধারণা কতটুকু সত্য?
বিশ্লেষণ: পিয়ার রিভিউ জার্নালে প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে যে, মাংস আহার করলে ডায়াবেটিস ও মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানারকম ভয়ানক রোগ সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য উদ্ভিদভিত্তিক আহার গ্রহণের উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
🔆 সংশয়: কিন্তু আমরা তো প্রতিনিয়ত বহু অনুজীব হত্যা করে চলেছি। সেটাও তো পাপ হিসেবে গণ্য।
বিশ্লেষণ: পাপ নির্ধারিত হয়ে থাকে হিংসার পরিমাণ অনুসারে। উদাহরণস্বরুপ, মানুষ হত্যা আর মশা হত্যার মধ্যে হিংসার পরিমাণে পার্থক্য আছে। প্রতিনিয়ত আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে জীবহত্যা হচ্ছে, কিন্তু আমরা তা অনুভব করি না, অর্থাৎ হিংসার পরিমাণ নগণ্য। এরুপ অজ্ঞাত হিংসাজনিত পাপকে বলা হয় পঞ্চসূনা। পঞ্চমহাযজ্ঞ (ব্রহ্ম, দেব, পিতৃ, ভূত ও অতিথি যজ্ঞ) পালন করার মাধ্যমে এ সকল পাপ থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব (মনুস্মৃতি: ৩/৬৮-৭০)।
সেজন্য হে অমৃতের সন্তানগণ! বৈদিক শাস্ত্রের বিধান সর্বোত্তম, যুক্তিযুক্ত ও বুদ্ধি পূর্বক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য। এরুপ বিধান সমূহ মনুষ্যের কল্যাণের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে। যা মান্য করে আমরা আমাদের জীবনকে যেমন উত্তম জীবন হিসেবে গড়ে তুলতে পারি তেমনি নিজেকে পরিচালিত করতে পারি মোক্ষ অর্জনের মার্গে।
প্রচারে : VEDA
#veda
তথ্য সহায়তা: শুদ্ধধ্বনি শ্রীমদ্ভগবদগীতা, Harvard Health
সূত্র:
⚕️ www.ncbi.nlm.nih.gov/books/NBK32655
⚕️www.the-scientist.com/news-opinion/botanists-say-plants-are-not-conscious-66101
⚕️www.researchgate.net/publication/343273411_Do_Plants_Feel_Pain
⚕️ www.biorxiv.org/content/10.1101/507590v4.full
⚕️www.cell.com/cell-metabolism/fulltext/51550-4131(14)00062-X
⚕️www.thelancet.com/journals/lanonc/article/PIIS1470-2045(10)70095-4/fulltext
⚕️www.cancer.gov/about-cancer/causes-prevention/risk/diet/cooked-meats-fact-sheet